হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে সৌদি-সমর্থিত যোদ্ধাদের পরিত্যক্ত সামরিক ঘাঁটি থেকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতি গোপন নথি উদ্ধারের খবর প্রকাশিত হয়েছে।
এসব নথিতে ইয়েমেনি যোদ্ধাদের কমান্ডারদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সৌদি রাজতন্ত্রের প্রতি আনুগত্যকে অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারণের তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ইরানের তাসনিম আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর সামরিক অগ্রগতির পর সৌদি-সমর্থিত যোদ্ধারা পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের কয়েকটি ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়ে যায়।
পরে সেসব ঘাঁটি থেকে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা অতি গোপন নথিপত্র উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, এসব নথি সৌদি আরবের ইয়েমেন নীতির বিষয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সৌদি সরকার বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাধ্যমে নিজেদের ইয়েমেনের জনগণ, দেশটির জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার সমর্থক হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে। তবে উদ্ধার হওয়া নথিপত্র দেশটির এই অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু তথ্য সামনে এনেছে।
নথিগুলোর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে ইয়েমেনের তায়েজ প্রদেশের আল-মুখা এলাকায় প্রতিষ্ঠিত একটি সামরিক ঘাঁটির প্রসঙ্গে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই ঘাঁটিতে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি যোদ্ধাদের কমান্ডারদের মূল্যায়নের জন্য ‘সৌদি রাজতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য’কে একটি মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সামরিক পরাজয়ের মুখে ঘাঁটিটি ছেড়ে তাদের সরে যেতে হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত নথিগুলো ইয়েমেন সংঘাতে সৌদি আরবের ভূমিকা এবং দেশটিতে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর পরিচালনা ও নেতৃত্বের কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনার অবকাশ তৈরি করেছে। তবে নথিগুলোর পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।
আপনার কমেন্ট